কলকাতার নিউমার্কেটসংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশিসহ নয়জন নিহত হওয়ার পর আতঙ্কে অনেক বাংলাদেশি পর্যটক হোটেল ছেড়ে দেশে ফিরছেন। ২৩ আগস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনায় কলকাতার পরিচিত হোটেলপাড়ার বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের মধ্যে গভীর ভীতি ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সদর স্ট্রিট, মার্কুইস স্ট্রিট, লিন্ডসে স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট ও ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের এই এলাকা তুলনামূলক কম খরচের থাকার ব্যবস্থা থাকায় বাংলাদেশি চিকিৎসাপ্রত্যাশীদের কাছে জনপ্রিয়। পর্যটক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সেখানে অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন হোটেল-গেস্টহাউস, সরু প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, ফায়ার এক্সিটের অভাব, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ এবং অগ্নিনিরাপত্তা অডিট না হওয়ার মতো সমস্যা রয়েছে।
পর্যটকেরা ভিসা জটিলতা, দালালের দৌরাত্ম্য ও বেনাপোল সীমান্তে দীর্ঘ অপেক্ষার কথাও তুলে ধরেছেন। অনিরাপত্তা ও ভোগান্তির কারণে কেউ কেউ চিকিৎসার জন্য কলকাতার বদলে চেন্নাই, ভেলোর, চিন বা নেপালের কথা ভাবছেন। প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে এলাকার হোটেল ও গেস্টহাউসের বৈধতা যাচাই শুরু করেছে; পৌরসভা, দমকল ও বিদ্যুৎ বিভাগ কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
শিখা ইন অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার হোটেল ছাড়ছেন বাংলাদেশি পর্যটকেরা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।