জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন বা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা সংক্রান্ত তিনটি নির্দিষ্ট আইনগত ও বিধিগত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারি সূত্র জানায়, রাজনৈতিক দল, ভোটার ও ইসির মধ্যে যেন কোনো বিভ্রান্তি বা সংকট না হয়, সে লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকারের প্রশ্নগুলো ছিল—প্রচারণা কতদিন পর্যন্ত চালানো যাবে, ভোটের দিনে আলাদা প্রচার ক্যাম্প স্থাপন করা যাবে কি না এবং গণভোটের জন্য পৃথক পোলিং এজেন্ট নিয়োগের সুযোগ আছে কি না।
ইসির কর্মকর্তারা জানান, গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। ইসি নিশ্চিত করেছে যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে এবং ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিটের পর সব ধরনের প্রচারণা বন্ধ থাকবে। কমিশন নিজে কোনো আলাদা বুথ স্থাপন করবে না, তবে সরকার চাইলে নিজস্ব ব্যবস্থায় বুথ স্থাপন করতে পারবে, এতে সরকারি কর্মকর্তারা সহায়তা করতে পারবেন না। গণভোটের জন্য আলাদা পোলিং এজেন্ট নিয়োগের সুযোগও নেই।
গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীরা গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পারবেন, তবে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট প্রচারণা নিয়ে আইনগত ব্যাখ্যা চেয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।