প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে ১০ বছর মেয়াদি জ্বালানি মহাপরিকল্পনা তৈরি করছে। ৯ আগস্ট চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এক সমাবেশে তিনি পরিকল্পনাটির কথা প্রকাশ করেন; এটি পরে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের কথা রয়েছে। পরিকল্পনার লক্ষ্য আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহের সুনির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি করা।
সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি আংশিক মেরামতের পর জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। শনিবার ভোর থেকে সরবরাহ ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে এবং ১৯ আগস্টের মধ্যে মেরামত শেষ হলে এক্সিলারেট ও সামিট এলএনজি মিলিয়ে ১,১০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহের কথা বলা হয়েছে।
স্বল্পমেয়াদে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের উৎপাদন বাড়ানো, ১০,০০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুতের লক্ষ্য এবং সরকারি ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর নির্দেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের জ্বালানি বরাদ্দ ৩০ শতাংশ কমানো হয়েছে। নিবন্ধটিতে বলা হয়, বাপেক্সের দক্ষতা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ভোলাসহ বিভিন্ন এলাকার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার প্রক্রিয়াও চলছে।
সরকারের ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের কথা জানানো হয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।