এলএনজি সংকট ও সরবরাহে স্বল্পচাপের কারণে ১৫ আগস্ট দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস সরবরাহ সীমিত বা বন্ধ হয়ে যায়। নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় অধিকাংশ স্টেশন কার্যত অচল, রাজধানীর পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সারি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের সব ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকার খবর পাওয়া গেছে। গ্যাসের অভাবে সিএনজিচালিত যান কম চলায় যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে এবং বিভিন্ন রুটে বাসভাড়া ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
রাজধানীর মগবাজারে এক অটোরিকশাচালক জানান, গ্যাস নিতে প্রায় চার ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। হাজীপাড়া স্টেশনের সারি রামপুরা টিভি সেন্টার পর্যন্ত পৌঁছায়। স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলেছে, কম চাপের কারণে স্বাভাবিক পরিমাণ গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে না, যদিও যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। আড়াইহাজার-মদনপুর সড়কে নির্ধারিত ভাড়ার প্রায় দ্বিগুণ নেওয়ার অভিযোগে যাত্রী ও চালকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে।
চট্টগ্রাম ও সিলেটে চালক-শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ করেন। জালালাবাদ গ্যাস বলেছে, এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটিতে জাতীয় সরবরাহ কমেছে এবং ব্যবহার ৫০ শতাংশে সীমিত রাখতে বলা হয়েছে। পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব জানান, মহেশখালীতে বাতাসের গতি প্রায় ৩৮ নট হওয়ায় জাহাজ ভেড়ানো যাচ্ছে না; গতি ২০ নটের নিচে নামলে জাহাজ ভিড়বে এবং সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক হতে পারে।
এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সিএনজি স্টেশন অচল, যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।