জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাত্রা শুরু করেছেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠনের পর এটি ছিল তার সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক পরীক্ষা। সফরে তার ভাষণ, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও পার্শ্ব-আয়োজন ছিল। তিনি পাকিস্তান, তুরস্ক ও ইরানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং নৈশভোজে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একান্তে কথা বলেন।
ভাষণে তারেক রহমান জনগণকে রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি ফিলিস্তিনের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারে বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত বলে জানান। উন্নয়নশীল দেশের জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকারের দাবি জানিয়ে তিনি ডিজিটাল বিভাজনকে ভবিষ্যতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভাজনে পরিণত না করার কথা বলেন।
নিবন্ধে তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের স্বাস্থ্যবিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশগ্রহণের কথাও এসেছে। একই সঙ্গে এতে ভাষণের কিছু ঘাটতির কথা বলা হয়েছে, যেমন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন কৌশলের অনুপস্থিতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি নিয়ে সীমিত আলোচনা এবং মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে নির্দিষ্ট প্রস্তাব না থাকা।
জাতিসংঘে তারেক রহমানের অভিষেকে কূটনৈতিক তৎপরতা, অঙ্গীকার ও কিছু অনুত্তরিত প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।