২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ২১ শতাংশ কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটেক্সা) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ২৯৮ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ কম। ইউনিটপ্রতি দাম ও রপ্তানির পরিমাণ উভয়ই হ্রাস পেয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেতাদের চাহিদা কমে গেছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সুদহারের প্রভাবে দেশটিতে সামগ্রিক পোশাক আমদানি ১২ শতাংশ কমেছে। এ সময়ে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া যথাক্রমে ১ দশমিক ৩১ ও ১৪ দশমিক ০৭ শতাংশ রপ্তানি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে চীন ও ভারতের রপ্তানি যথাক্রমে ৫০ দশমিক ২১ ও ২৮ দশমিক ০৩ শতাংশ কমেছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাসে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় আগের বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ০৭ শতাংশ কমে ৪৪০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। শিল্প নেতারা বলছেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে রপ্তানি খাতে ইতিবাচক প্রবণতা কবে ফিরবে তা অনিশ্চিত।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ১৭ শতাংশ কমেছে, বৈশ্বিক চাহিদা দুর্বল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।