২০২৬ সালের ৭ জুন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে নতুন করে উত্তেজনার কথা উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বিজেপি সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে অভিযোগ করেছেন যে অভিন্ন নদীর পানি বাংলাদেশে চলে যাওয়ায় ভারতের কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। সামাজিক মাধ্যমে তার এই মন্তব্যকে বাংলাদেশের ন্যায্য পানির অধিকার অস্বীকারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত বাংলাদেশমুখী আন্তর্জাতিক নদীগুলোর উজানে ৩০টিরও বেশি বাঁধ ও ব্যারাজ নির্মাণ করেছে, যা প্রাকৃতিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে আন্তর্জাতিক নদী আইনের নীতির পরিপন্থী। ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদীর ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশে এর ফলে কৃষি, পরিবেশ ও নৌপরিবহন খাতে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। নদীর প্রবাহ কমে যাওয়ায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হ্রাস এবং জলপথ সংকোচনের মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে। ১৯৯৬ সালের গঙ্গা চুক্তির মেয়াদও চলতি বছর শেষ হচ্ছে।
প্রতিবেদনটি বলছে, ভারতের নতুন পানি বণ্টন চুক্তিতে অনীহা আঞ্চলিক সহযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করছে। বাংলাদেশের নতুন সরকারকে আন্তর্জাতিক নীতিমালা মেনে ন্যায্য চুক্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অভিন্ন নদীর পানি প্রবাহ নিয়ে ভারতীয় এমপির মন্তব্যে বাংলাদেশে উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।