চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশি অপারেটর নিয়োগের সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো অবরোধ পালন করছে শ্রমিক-কর্মচারীরা। জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল ও শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্যপরিষদের ব্যানারে চলা এই কর্মসূচিতে দেশের প্রধান আমদানি-রপ্তানি কেন্দ্র কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। সীমিত আকারে জেটিতে কনটেইনার ওঠানামা চললেও নতুন কোনো পণ্য বন্দরে প্রবেশ বা ডেলিভারি হচ্ছে না, ফলে ইয়ার্ড ও অফডকে জটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উচ্চ আদালতের রায়ে সরকারের পক্ষে সিদ্ধান্ত আসার পর এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হলে শ্রমিকদের একাংশ এর বিরোধিতা করে। আন্দোলন দমাতে বন্দর কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান নিয়েছে; ইতোমধ্যে ১১ জন শ্রমিককে বদলি করা হয়েছে এবং ১৮০ জনের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। বন্দর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা শতকোটি টাকার বেশি ক্ষতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বন্দর ব্যবহারকারীরা সতর্ক করেছেন, অচলাবস্থা দীর্ঘ হলে জাতীয় অর্থনীতি ও তৈরি পোশাক শিল্প মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে এবং বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।
বিদেশি অপারেটর নিয়োগে চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিকদের অবরোধে কার্যক্রম স্থবির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।