২০২৬ সালের অক্টোবরে ইয়েমেনের একাধিক যুদ্ধফ্রন্টে আবার তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে বলে নিরাপত্তা পরিষদকে জানান জাতিসংঘের বিশেষ দূত হান্স গ্রুন্ডবার্গ। হুথিদের অগ্রযাত্রা, সরকারি বাহিনীর পাল্টা অভিযান এবং সৌদি বেসামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ২০১১-পরবর্তী ব্যর্থ রাজনৈতিক রূপান্তর ও ২০১৪ সালে সানা দখলের পর শুরু হওয়া সংঘাতে অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্বও গুরুত্বপূর্ণ।
হুথিরা সানাসহ উত্তরাঞ্চলের বড় অংশে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দর-কষাকষির সক্ষমতা বাড়িয়েছে। সৌদি আরব সীমান্ত নিরাপত্তা, স্বীকৃত সরকারকে সহায়তা এবং হুথি প্রভাব সীমিত করতে চাইলেও প্রত্যাশিত রাজনৈতিক ফল পায়নি। ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের স্বার্থও আঞ্চলিক প্রভাব, মিত্রদের নিরাপত্তা এবং লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাবের নৌপথের সঙ্গে যুক্ত।
সবচেয়ে বড় ক্ষতি বহন করছেন ইয়েমেনের সাধারণ মানুষ। ২০২৬ সালের মার্চের জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষের সহায়তা ও সুরক্ষা প্রয়োজন এবং ১ কোটি ৮৩ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তায় আছে। উৎসটি অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতিসংঘ-নেতৃত্বাধীন আলোচনা, বেসামরিক সুরক্ষা, মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বিভক্ত প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছে।
ইয়েমেনে নতুন লড়াইয়ে আঞ্চলিক উত্তেজনার সঙ্গে বাড়ছে ক্ষুধা ও বাস্তুচ্যুতি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।