রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সাধারণ আলোচনায় প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আবদুর রহিম সাকি জানান, মুদি দোকান ও কাঁচাবাজারে কর যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করা হবে। তিনি বলেন, করের আওতা বাড়ানো হলেও তা করদাতাদের সক্ষমতার ভিত্তিতে ফ্ল্যাট রেটে নির্ধারণ করা হবে, যাতে জনগণ স্বস্তি পায়।
সাকি জানান, রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও আদায় কার্যক্রম পৃথক করা হবে এবং আমলাতন্ত্রের বাইরে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি স্বাধীন নীতি সংস্থা গঠন করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর ফাঁকি রোধে কঠোর পদক্ষেপ ও অটোমেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকার ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বাজেট জিডিপির প্রায় ১৩ শতাংশ, যা প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় ছোট হলেও এটি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি প্রসারণশীল বাজেট।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছে এবং পুনর্গঠন ও দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বাজেট প্রণয়ন করেছে। কর প্রশাসনে অটোমেশন দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং এনবিআরসহ ছয়টি প্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচি চালু হয়েছে।
নতুন বাজেটে মুদি ও কাঁচাবাজারে যৌক্তিক কর নির্ধারণের পরিকল্পনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।