যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ইরানে বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ৮৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্বোচ্চ। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, রিয়ালের দরপতন এবং যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। ইরানের পরিসংখ্যান কেন্দ্র জানিয়েছে, জুন মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়ে ৮৮.৬ শতাংশে পৌঁছেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় খাদ্যপণ্যের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। রুটি ও শস্যের দাম ১৩৮.৮ শতাংশ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম ১৫১.৯ শতাংশ এবং লাল মাংস ও মুরগির দাম ১৭৮.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা তলানিতে নেমে গেছে এবং অনেকের জন্য মাংস কেনা স্বপ্নের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যুদ্ধের কারণে লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন বা কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। মার্কিন নৌ অবরোধ ও তেল রপ্তানিতে বাধা ইরানের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলেছে এবং রিয়ালের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করেছে।
যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞায় ইরানের মুদ্রাস্ফীতি ৮৯ শতাংশে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্বোচ্চ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।