মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফেরাতে পাকিস্তানের কূটনৈতিক উদ্যোগে সহায়তা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাত আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
কুয়েত প্রায় পুরোপুরি এই প্রণালী দিয়ে তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল, যার মাধ্যমে দেশটির রাষ্ট্রীয় আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করেছে এবং সরাসরি ইরানের সঙ্গেও যোগাযোগ বজায় রেখেছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরান, কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যে একাধিক টেলিফোন আলোচনা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, উপসাগরীয় দেশগুলো যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমাতে চায়। পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা জোরদার করতে আগামী দিনে আরও সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতা দেখা যেতে পারে।
উপসাগরীয় দেশগুলোর সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতা জোরদার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।