ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ১১টি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অভিযোগগুলোতে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা, রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং বিভিন্ন অনিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। রুবেল হোসেন নামে এক ব্যক্তি তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ জমার সত্যতা নিশ্চিত করে অন্তত পাঁচটির সত্যতা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপোর পাশের প্রায় ২০টি অবৈধ চোরাই তেলের দোকান থেকে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের দাবি করা হয়েছে। এসআই ও এএসআইদের বদলি ঠেকানোর কথা বলে টাকা নেওয়া, জহির নামে একজনকে থানার মুন্সি পদে বসাতে এক লাখ টাকা নেওয়া এবং ধর্ষণ মামলায় আপস করিয়ে বাদীর কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাসেলের কাছ থেকে আট লাখ টাকা উৎকোচ নেওয়া এবং মাটি কাটা ও ভূমিদস্যুদের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে।
এনসিপি নেতা আব্দুর রহমান গাফফারি অভিযোগ করেন, তাওহীদুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় ওসি প্রথমে মামলা নিতে চাননি; পরে রাজনৈতিক নেতারা থানায় গেলে মামলা নেওয়া হয়। পাগলা বাজারের একটি সভায় বিএনপি নেতাদের প্রশংসার অভিযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পুরোনো সামাজিকমাধ্যমের ছবি সম্পর্কে যোগাযোগ করলে তাঁর সরকারি ফোনে থাকা ব্যক্তি জানান, ওসি ছুটিতে আছেন এবং সোমবার পাওয়া যাবে।
অনিয়ম ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ফতুল্লা থানার ওসির বিরুদ্ধে ১১ অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।