জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ইউরোপ শিল্পযুগ-পূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণ হয়েছে, যা বৈশ্বিক গড় উষ্ণায়নের প্রায় দ্বিগুণ। ১৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি গ্রীষ্মে তাপপ্রবাহে ইউরোপে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে কার্বন নিঃসারণ বেড়ে বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত তাপ আটকে থাকার কথা বলা হয়েছে।
দ্রুত উষ্ণায়নের পেছনে চারটি প্রধান কারণ হিসেবে আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতির পরিবর্তন, আর্কটিকের নৈকট্য, তুষার আচ্ছাদন কমে যাওয়া এবং বায়ুদূষণ হ্রাসকে উল্লেখ করা হয়েছে। বায়ুমণ্ডলীয় প্রবাহের ধরন বদলানোয় গ্রীষ্মে দীর্ঘ ও তীব্র তাপপ্রবাহ বাড়ছে; ২০২৬ সালের জুনে ‘হিট ডোম’-এর কারণে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ দেখা যায়। আর্কটিক দ্রুত উষ্ণ হওয়ায় নিকটবর্তী ইউরোপও বেশি প্রভাবিত হচ্ছে।
তুষার সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে ভূমি ঠান্ডা রাখে, কিন্তু ২০২৫ সালের মার্চে ইউরোপের তুষার আচ্ছাদন দীর্ঘমেয়াদি গড়ের চেয়ে প্রায় ১৩ লাখ বর্গকিলোমিটার কম ছিল। দূষণ কমায় সূর্যালোক প্রতিফলনকারী কণার শীতল প্রভাবও হ্রাস পেয়েছে। বিজ্ঞানীরা চার কারণের পৃথক ভূমিকা নিশ্চিত নন। জাতিসংঘের জলবায়ুপ্রধান সাইমন স্টিয়েল কার্বন নিঃসারণ কমানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে যাওয়া এবং তাপপ্রবাহ থেকে মানুষকে সুরক্ষার জরুরি পদক্ষেপ চেয়েছেন।
ইউরোপ বৈশ্বিক গড়ের প্রায় দ্বিগুণ গতিতে উষ্ণ হচ্ছে, বাড়ছে তাপপ্রবাহ ও দুর্যোগের ঝুঁকি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।