ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের জন্য অভূতপূর্ব ও বিরল ‘পিছু হটা’ হিসেবে তুলে ধরেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। ২৭ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে সরকারের এ সিদ্ধান্ত বিশ্ব সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব পেয়েছে। আন্দোলনটি নিট পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে শুরু হলেও পরে তা তরুণদের নানা উদ্বেগের সঙ্গে যুক্ত হয়।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে ভিন্নমত প্রকাশের পরিসর সংকুচিত করা একটি সরকারের জন্য এটি বিরল পিছু হটা। পত্রিকাটি আন্দোলনকে বেকারত্ব, শিক্ষাব্যবস্থার সংকট, পর্যাপ্ত সরকারি বিনিয়োগের অভাব এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তরুণদের হতাশার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস বলেছে, এটি কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন নিয়ে সরকারের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতির বাস্তবতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।
বিবিসি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ‘ককরোচ’ পরিচয়কে তরুণদের প্রতিবাদের প্রতীকে রূপ দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছে। ব্লুমবার্গের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রসিকতা থেকে শুরু হওয়া এ আন্দোলন দ্রুত সাম্প্রতিক বছরের অন্যতম বড় ছাত্র আন্দোলনে পরিণত হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মূল্যায়নে, ঘটনাটি ডিজিটাল প্রজন্মের সংগঠিত প্রতিবাদ, জবাবদিহির দাবি এবং সামাজিক মাধ্যমনির্ভর আন্দোলনের শক্তির দৃষ্টান্ত।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে মোদি সরকারের বিরল পিছু হটা বলা হয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।