রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেল-২ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বানের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার লক্ষ্য দেশীয় স্পিনিং শিল্প রক্ষা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এইচএস হেডিং ৫২.০৫, ৫২.০৬ ও ৫২.০৭-এর আওতায় বন্ড সুবিধায় সুতা আমদানি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুত বেড়েছে, বিশেষ করে ভারত থেকে। ২০২২–২৩ অর্থবছরে আমদানি ছিল ৩.৫১ লাখ টন, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়ায় ৬.৯৭ লাখ টনে। শুল্কমুক্ত বা স্বল্প শুল্কে আমদানি করা সুতা কম দামে বিক্রি হওয়ায় স্থানীয় মিলগুলো প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না এবং বর্তমানে তারা মাত্র ৬০ শতাংশ সক্ষমতায় উৎপাদন চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০টি স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে গেছে।
মন্ত্রণালয় মনে করে, বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করলে দেশীয় উৎপাদন বাড়বে, কর্মসংস্থান সুরক্ষিত হবে এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় বাংলাদেশের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হবে।
দেশীয় স্পিনিং শিল্প রক্ষায় সুতা আমদানির বন্ড সুবিধা বন্ধের প্রস্তাব বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।