২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ এ আরাফাতের ফাঁস করা এক অডিও বার্তায় শেখ হাসিনা নিজেকে ‘বনবাসে’ আছেন বলে উল্লেখ করে দেশে থাকা নেতাকর্মীদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পালানোর আগে তিনি পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নিরাপদে পাঠিয়ে দেন, অথচ অনেক তৃণমূল কর্মী এখন কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
প্রতিবেদনটি শেখ হাসিনার সঙ্গে সিকিমের লেন্দুপ দর্জির তুলনা টেনে উভয়কেই ভারতের স্বার্থরক্ষাকারী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, তার ১৫ বছর ছয় মাসের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে বহু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার অধিকাংশই বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী বলে দাবি করা হয়। সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া ভারতের এই ভূমিকা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন এবং দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় শেখ হাসিনা ও লেন্দুপ দর্জির নাম উচ্চারিত হওয়ার পর এই তুলনা আবারও আলোচনায় আসে, যা হাসিনার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও ভারতে তার আশ্রয় নিয়ে বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।
ভারতে শেখ হাসিনার বনবাসে তার শাসন ও ভারত-সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।