গত এক সপ্তাহে সোমালিয়া উপকূলে অন্তত তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজ জলদস্যুদের কবলে পড়েছে, যা এক দশক পর আবারও এই অঞ্চলে জলদস্যু আতঙ্ক ফিরিয়ে এনেছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এলাকাটির নিরাপত্তা ঝুঁকি ‘যথেষ্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করে জাহাজগুলোকে সতর্কভাবে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে। ২০ এপ্রিল মাছ ধরার জাহাজ ‘আলখারি-২’, ২১ এপ্রিল তেলবাহী ট্যাংকার ‘অনার-২৫’ এবং ২৬ এপ্রিল কার্গো জাহাজ ‘সোয়ার্ড’ অপহৃত হয়। শেষোক্ত জাহাজটি এখনো দস্যুদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধ এবং লোহিতসাগরে হুতি বিদ্রোহ দমন অভিযানে নৌবাহিনীর মনোযোগ সরে যাওয়ায় জলদস্যুরা সুযোগ নিচ্ছে। একই সঙ্গে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়ানোয় তেলবাহী জাহাজগুলো জলদস্যুদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
২০০০ সালের শুরুর দিকে সোমালিয়া উপকূল ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক পানিপথ। ন্যাটো ও ইইউ-এর প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও এখন তা আবার নতুন ঝুঁকিতে পড়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যে সোমালিয়া উপকূলে তিনটি জাহাজ অপহৃত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।