Web Analytics

দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও পার্শ্ববর্তী আনোয়ারা, পেকুয়া ও রাজাখালী এলাকায় প্রায় ৩৮ হাজার লবণ চাষি ৬৯ হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদন শুরু করেছেন। তবে ঘন কুয়াশায় লবণ শুকানোর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে এবং উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে চাষিরা হতাশ। আধুনিক পলিথিন পদ্ধতিতে উৎপাদন প্রায় আড়াই গুণ বাড়লেও বৈরী আবহাওয়া ও কম দামে বিক্রির কারণে চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

বিসিকের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে শতভাগ জমিতে পলিথিন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে, ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় দুই লাখ টন বেশি লবণ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। চাষিরা জানান, কুয়াশা ও আর্দ্রতার কারণে দুপুরে শুকানো লবণ রাতেই গলে যায়, তবুও জমির খাজনা দিতে হয়। বাঁশখালীর লবণ উজ্জ্বলতা ও স্বাদের জন্য পরিচিত, বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ১ থেকে ১৫ টাকা এবং পাইকারি বাজারে প্রতিমণ ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাষিদের অভিযোগ, সরকারি সহায়তার অভাবে মিল মালিক ও মহাজনরা কম দামে লবণ কিনে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অনেক চাষি ঋণ নিয়ে উৎপাদন করছেন, আর স্থানীয় নেতারা লবণ আমদানি বন্ধ ও ন্যায্যমূল্য নির্ধারণে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

08 Jan 26 1NOJOR.COM

কুয়াশায় বাঁশখালীতে লবণ চাষ ব্যাহত, কম দামে বিক্রিতে চাষিদের ক্ষতি

Person of Interest

logo
No data found yet!