চলমান গ্যাস সংকটে বাংলাদেশের পোশাক খাতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং ক্রয়াদেশ হারানোর আশঙ্কা বাড়ছে। গ্যাসের চাপ না থাকায় অনেক কারখানা বন্ধ বা ছুটি ঘোষণা করেছে, আবার কেউ ব্যয়বহুল বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করে উৎপাদন চালানোর চেষ্টা করছে। ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর সংকট তীব্র হয়। ১০ আগস্ট থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সরকারি আশ্বাসের পরও গ্যাস সরবরাহ স্থিতিশীল হয়নি।
বিকেএমইএর তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস সংকটে প্রায় ৩০০ নিটওয়্যার কারখানা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে, এতে দেড় থেকে দুই মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নরসিংদী ও ময়মনসিংহে শতাধিক কারখানাও বন্ধ হয়েছে। অন্য কারখানাগুলোর অনেকগুলো অর্ধেক বা স্বাভাবিক সক্ষমতার ২০ থেকে ৩০ শতাংশে উৎপাদন করছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের রপ্তানি আয়ের মধ্যে পোশাক খাতের অবদান ছিল ৩ হাজার ৮৭০ কোটি ডলার, যা প্রায় ৮১ শতাংশ।
উদ্যোক্তারা বলছেন, সময়মতো পণ্য সরবরাহ না হওয়ায় কিছু ক্রেতা অর্ডার অন্য দেশে সরিয়ে নিচ্ছেন বা তা নিয়ে আলোচনা করছেন। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, গড়ে উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে। তিনি দ্রুত সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিলম্ব বাড়লে শিল্প ও রপ্তানিতে প্রভাব আরও বাড়বে।
গ্যাস সংকটে পোশাক উৎপাদন কমে বিদেশে ক্রয়াদেশ সরে যাওয়ার শঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।