বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিল প্রক্রিয়ায় থাকা নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অধীন ১২টি ক্যাপিটাল মার্কেট সাবসিডিয়ারির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সোমবার চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে কমিশন সভায় পর্যাপ্ত নীট সম্পদ ও সন্তোষজনক মূল্যায়ন সূচক থাকা চারটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
অনুমতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ ব্রোকিং লিমিটেড, অ্যাভিভা ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। নীট সম্পদ ও সিকিউরিটিজ আইন পরিপালনে ঘাটতি থাকায় বাকি আটটি প্রতিষ্ঠানের জন্য শর্তসাপেক্ষ সময়সীমা নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
সাতটি প্রতিষ্ঠানকে ঘাটতি দূর ও বিধিবিধান পরিপালনের জন্য ৩০ এপ্রিল ২০২৭ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চারটি স্টক ব্রোকার, দুটি মার্চেন্ট ব্যাংক এবং প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড রয়েছে। মার্চেন্ট ব্যাংক এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে নীট সম্পদের ঘাটতি পূরণে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। খেলাপিঋণজনিত আর্থিক সংকটে নয়টি লিজিং কোম্পানি অবসানের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
চার সাবসিডিয়ারির কার্যক্রম চলবে, আটটিকে ঘাটতি পূরণে সময় দিল বিএসইসি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।