বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ (এসআইএফ) রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কোর কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা নতুন নামটি অনুমোদন করেছেন এবং আদেশ জারির পর বাহিনীটি নতুন নামে কার্যক্রম শুরু করবে। র্যাবের পোশাকও পরিবর্তন করা হবে।
র্যাব ২০০৪ সালে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় গঠিত হয়েছিল, যার প্রাথমিক নাম ছিল র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট)। বাহিনীটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র র্যাব ও সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদও ছিলেন, যার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়।
২০২৪ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের প্রতিবেদনে র্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করা হয়। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচও দীর্ঘদিন ধরে র্যাব বিলুপ্তির দাবি জানিয়ে আসছে। নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের প্রেক্ষাপটে একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মানবাধিকার বিতর্কের মধ্যে র্যাবের নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।