চট্টগ্রামে শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি, ফলে সিএনজি স্টেশন, বাসাবাড়ি ও শিল্পকারখানায় ব্যাপক দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। নগরীর বিভিন্ন স্টেশনে গ্যাসচালিত যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। বহু এলাকায় রান্নার গ্যাস একেবারেই মিলছে না এবং গ্যাসসংকটে অধিকাংশ কারখানা শনিবার খোলা সম্ভব হয়নি।
কর্ণফূলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানায়, শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় তারা ১৭০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পেয়েছে, যা শুক্রবারের কাছাকাছি। দৈনিক চাহিদার বিপরীতে বর্তমানে ৫৫ শতাংশ গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। চট্টগ্রামে দৈনিক চাহিদা ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও জাতীয় গ্রিড থেকে সাধারণত ২৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট বরাদ্দ পাওয়া যায়।
অনেক সিএনজি স্টেশনে যানবাহনের সারি দুই কিলোমিটারের বেশি হয়েছে এবং কম চাপের কারণে কিছু স্টেশন সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। শিল্পমালিকদের মতে, তৈরি পোশাক ও স্টিল কারখানায় উৎপাদন ২০ শতাংশে নেমেছে। কর্মকর্তারা জানান, সরবরাহ বাড়তে আরও অন্তত একদিন লাগতে পারে; রোববার নতুন এলএনজি কার্গো এলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামে সিএনজি, বাসাবাড়ি ও কারখানায় দুর্ভোগ; এলএনজি কার্গোর অপেক্ষা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।