মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইসরাইলের নিশ্চিত হামলার পরিকল্পনা এবং মার্কিন সেনাদের ওপর সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণের আশঙ্কায় ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে আগাম বা ‘প্রি-এম্পটিভ’ হামলা চালাতে বাধ্য হয়। তিনি বলেন, ইসরাইল আত্মরক্ষায় অনড় থাকায় তেহরান হামলা করার আগেই তাদের সক্ষমতা ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নেয় হোয়াইট হাউস।
২ মার্চ রাতে ক্যাপিটল হিলে রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ের পর কংগ্রেসে তীব্র মতভেদ দেখা দেয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। তবে ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার এই সংঘাতকে ‘ট্রাম্পের যুদ্ধ’ ও ‘কৌশলহীন অভিযান’ বলে আখ্যা দেন এবং প্রশাসনের ব্যাখাকে অপর্যাপ্ত বলেন। সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির ভাইস-চেয়ার মার্ক ওয়ার্নার সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সরাসরি হুমকি না থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধে জড়ানো বিপজ্জনক নজির।
চলমান বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মার্কিন বাহিনী ছয় সেনার মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে, আর ইরানি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। রিপাবলিকানরা এই অভিযানকে প্রতিরক্ষামূলক বললেও ডেমোক্র্যাটরা ‘ওয়ার পাওয়ার্স রেজোলিউশন’ পাসের মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করছেন।
ইসরাইলি হুমকির প্রেক্ষাপটে ইরানে আগাম হামলার যুক্তি দিলো যুক্তরাষ্ট্র
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।