২০২৬ সালের ৫ জুলাই প্রকাশিত এক নিবন্ধে সাংবাদিক এম আবদুল্লাহ বলেন, শেখ হাসিনার শাসন শুধু প্রশাসনিক শক্তির ওপর নির্ভর করেনি, বরং একদল সাংস্কৃতিক সহযোগীর সহায়তায় টিকে ছিল, যারা শিল্প, সাহিত্য, গণমাধ্যম ও শিক্ষাঙ্গনে দমন-পীড়নকে বৈধতা দিয়েছিলেন। লেখকের মতে, এই ‘কালচারাল ফ্যাসিস্টরা’ সমাজে মুক্তচিন্তা ও ভিন্নমত দমনে ভূমিকা রেখেছিলেন এবং ফ্যাসিবাদী শাসনের সাংস্কৃতিক ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন।
তিনি সতর্ক করেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও এই গোষ্ঠীর অনেকেই সক্রিয় রয়েছেন এবং ইতিহাস বিকৃতি ও পুরোনো শাসনের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ গণমাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করছেন, যা জনগণের আস্থা দুর্বল করে গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বিপন্ন করতে পারে।
নিবন্ধে বলা হয়েছে, ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সহযোগীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি, যাতে জুলাই বিপ্লবের অর্জন ও শহীদদের আত্মত্যাগ সংরক্ষিত থাকে।
জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী গণতন্ত্রে সাংস্কৃতিক ফ্যাসিস্টদের হুমকি নিয়ে সতর্কতা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।