বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নির্মাণ ব্যয় ও নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এখন পর্যন্ত জাদুঘরে কোনো নিয়োগ সম্পন্ন হয়নি। সিসিটিভি ফুটেজে প্রদর্শিত দৃশ্যটি কোনো ইন্টারভিউ নয়, বরং শহীদ পরিবার ও আহতদের কর্মসংস্থানে উৎসাহিত করতে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক ছিল। ভবিষ্যতে নিয়োগ যথাযথ সরকারি প্রবিধান অনুসারে উচ্চপর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আপ্যায়ন বাবদ মোট ব্যয় হয়েছে ৩৭ লাখ ৪৪ হাজার ৬৯৮ টাকা, যা প্রচারিত ১ কোটি টাকার দাবি থেকে অনেক কম। টিনের বাউন্ডারি স্থাপনে ৬৪ লাখ টাকার ব্যয় গণপূর্ত অধিদপ্তরের বরাদ্দ থেকে বাস্তবায়িত হয়েছে, জাতীয় জাদুঘর তা ব্যয় করেনি। শেরেবাংলা নগরের সাবেক গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তর করা একটি বড় প্রকল্প ছিল এবং এটি এখন উদ্বোধনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ সংবাদ প্রচারে যাচাই-বাছাইয়ের আহ্বান জানিয়েছে যাতে বিভ্রান্তি না ছড়ায়।
জুলাই জাদুঘর নিয়ে অপপ্রচার অস্বীকার করল জাতীয় জাদুঘর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।