২০২৬ সালের ১৫ মার্চ সংসদ অধিবেশনে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লটারি ভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, মেরিটের ভিত্তিতে ভর্তি বাতিল করে লটারি চালু করায় ফিডার ইনস্টিটিউটগুলোর শিক্ষার মান কমে গেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ্য শিক্ষার্থী পাঠানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি জানতে চান, সরকার কি এই ভর্তি পদ্ধতি পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেন, বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ এবং এ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন। তিনি জানান, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় গ্রামীণ ও শহুরে দুটি ভিন্ন বাস্তবতা রয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় প্রতিযোগিতা কম থাকলেও ঢাকায় জটিলতা দেখা দিচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে পূর্ববর্তী সরকার লটারি পদ্ধতি চালু করেছিল, যা তার মতে যুক্তিসংগত নয়। তিনি আরও জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পদ্ধতি নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অধিবেশনটি সকাল ১১টায় শুরু হয় এবং এতে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সংসদে প্রশ্নের পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লটারি ভর্তি পদ্ধতি পর্যালোচনার ইঙ্গিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।