এলএনজি কার্গোর অভাবে বঙ্গোপসাগরে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সময় গ্যাসের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় দেশে লোডশেডিং বেড়েছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ২০ আগস্ট ২০২৬।
পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, এলএনজি কার্গো না থাকায় বুধবার দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে এক্সিলারেটের টার্মিনালে থাকা মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়। গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনও হ্রাস পেয়েছে, যা সন্ধ্যার বাড়তি চাহিদার সময়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় চাপ বাড়িয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সন্ধ্যার পর একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বাড়তি লোডশেডিংয়ে মানুষের ভোগান্তিও বেড়েছে। প্রতিবেদনে গ্যাস সরবরাহ কমার প্রধান কারণ হিসেবে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকার কথা বলা হয়েছে।
এলএনজি কার্গো সংকটে টার্মিনাল বন্ধ, কমেছে গ্যাস সরবরাহ ও বেড়েছে লোডশেডিং
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।