সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার যুবদলকর্মী তুরন মিয়ার হত্যাকাণ্ডে এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার। ১৯ জুন নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের দাবি, গ্রামের রাস্তায় সরকারি উন্নয়নকাজে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ১ জুলাই নিহতের ছোট ভাই এলাইছ মিয়া প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের কাছে কাঁদতে কাঁদতে ন্যায়বিচার চান। উপদেষ্টা পরে সিলেটের পুলিশ সুপারকে সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দেন।
পরিবারের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি মহল ঘটনাটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে প্রচার করে প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তুরন মিয়া ৬ জুন প্রতিবেশীদের হামলার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও তা রেকর্ড করা হয়নি বলে দাবি পরিবারের। সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তির চাপ থাকলেও তিনি মামলা থেকে সরে আসেননি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানেন এবং গোয়েন্দা টিম প্রকৃত দোষীদের শনাক্তে কাজ করছে। নিহতের পরিবার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
সিলেটের যুবদলকর্মী হত্যায় ন্যায়বিচার দাবি, উপদেষ্টার নির্দেশে তদন্তের আশ্বাস
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।