ফ্রান্সের লেবাননবিষয়ক বিশেষ দূত জ্যঁ-ইভ লে দ্রিয়ান বুধবার বৈরুতে পৌঁছাবেন, যেখানে প্যারিস তার দুর্বল হয়ে পড়া কূটনৈতিক প্রভাব পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে। তিনি প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন, সংসদ স্পিকার নাবিহ বেরি ও প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালামের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আলোচনায় লেবাননের অর্থনৈতিক পতন, ইসরায়েলের আক্রমণ ও দেশের এক-পঞ্চমাংশ দখল, এবং দক্ষিণ লেবাননে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হবে, যেখানে ফ্রান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মধ্যে ফ্রান্সের এই উদ্যোগ তার হ্রাসমান ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগের প্রতিফলন। ফ্রান্স লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্যে একটি কৌশলগত ঘাঁটি হিসেবে দেখে, যার ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ফরাসি ম্যান্ডেট যুগ থেকে শুরু। দেশটি লেবাননের সেনাবাহিনী ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং টোটালএনার্জিস ও সিএমএ সিজিএমের মতো ফরাসি কোম্পানির বিনিয়োগ সুরক্ষায় আগ্রহী।
ওয়াশিংটন এখন লেবানন-ইসরায়েল আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে, তাই ফ্রান্স মানবিক সহায়তা ও ইউনিফিল মিশনের মাধ্যমে তার প্রভাব ধরে রাখতে চায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা নয়, বরং কূটনৈতিক যোগাযোগের অপরিহার্য মাধ্যম হিসেবে থাকতে চায়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বাড়ায় লেবাননে প্রভাব পুনরুদ্ধারে ফ্রান্সের কূটনৈতিক উদ্যোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।