রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল আবার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরেছে এবং জরুরি, বহির্বিভাগ, প্রসূতি, শিশু ও ডায়ালাইসিস বিভাগে রোগী-স্বজনের চাপ বেড়েছে। মঙ্গলবার, লাইসেন্স পুনর্বহালের ৩৬তম দিনে, বিভিন্ন বিভাগে দীর্ঘ অপেক্ষার সারি দেখা গেছে। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার পর প্রায় ৪৭ দিন হাসপাতালটির সেবা কার্যক্রমে ছন্দপতন ছিল।
রোগী ও স্বজনরা তুলনামূলক কম খরচ এবং চিকিৎসক-নার্সদের পরিচর্যার কারণে হাসপাতালটির ওপর আস্থা থাকার কথা বলেছেন। তারা স্বাভাবিক প্রসবে উৎসাহ এবং নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যের ডায়ালাইসিস সেবার বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন। তবে সেবার মান বজায় রাখা ও হারানো আস্থা পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করাকে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছেন অনেকে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুনর্বহালের পর অবকাঠামো, ভেন্টিলেশন, আলো-বাতাস, অক্সিজেন সরবরাহ, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও কর্মীদের প্রশিক্ষণে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
হাসপাতালটিতে ৭০০ শয্যার মধ্যে প্রায় ২০০টি বিনামূল্যের এবং প্রতিদিন গড়ে ২,৮০০ থেকে ৩ হাজার বহির্বিভাগের রোগী সেবা নেন। তদন্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ও নার্স-স্টাফদের চরম অবহেলার কথা ওঠার পর ১১ জুন লাইসেন্স বাতিল হয়। পরে ২৭ জুলাই তিন শর্তে লাইসেন্স ফিরিয়ে সেবা চালুর অনুমতি দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
লাইসেন্স পুনর্বহালের পর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।