নোবেলজয়ী ও এআই প্রযুক্তির অন্যতম পথিকৃৎ জিওফ্রে হিন্টন বলেছেন, আগামী এক দশকের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে মানবজাতি বিলুপ্ত হওয়ার ১০ শতাংশ সম্ভাবনার হিসাব অযৌক্তিক নয়। বুধবার বিবিসির নিউজ নাইট অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মানুষ আগে এমন কোনো সত্তা তৈরি করেনি যা শিগগিরই মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান হয়ে উঠতে পারে; তাই এআইয়ের ঝুঁকি অনুমান করা কঠিন।
হিন্টন বলেন, ঝুঁকিকে মাত্র ১ শতাংশ ধরে নেওয়া খুবই বোকামি হবে, যদিও যুক্তিসংগত হিসাব কীভাবে করা যায় তা কেউ জানে না। তাঁর মতে, ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটাতে উন্নত এআইয়ের বাস্তব জগতের যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন নেই। কথোপকথনের মাধ্যমেও এটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে এবং বিপজ্জনক জৈবিক বা কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি ও গুরুতর সাইবার হামলায় ব্যবহৃত হতে পারে।
এআই গবেষক জ্যাকব কক্সন অ্যানথ্রপিকের চাকরি ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের বিরুদ্ধে ঝুঁকি সত্ত্বেও স্ব-উন্নয়ন সক্ষম সুপারইন্টেলিজেন্স তৈরির প্রতিযোগিতার অভিযোগ করেন। অ্যানথ্রপিকের ইভান হুবারিঙ্গার তাঁর উদ্বেগ সমর্থন করলেও বলেন, বর্তমান এআই ব্যবস্থা তাৎক্ষণিক বড় বিপদ নয়। হিন্টন বলেন, উন্নত এআইয়ের লক্ষ্য যেন মানবজাতির জন্য ক্ষতিকর না হয়, সে অনুযায়ী নকশা জরুরি।
হিন্টন বললেন, এক দশকে এআইজনিত মানব বিলুপ্তির ১০ শতাংশ ঝুঁকি অযৌক্তিক নয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।