ইসরাইলের ২৭ অক্টোবরের পার্লামেন্ট নির্বাচনে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট কিংবা নিজেদের জায়নবাদী বিরোধী জোট হিসেবে পরিচয় দেওয়া প্রতিপক্ষ কেউই সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পায়নি। নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন নিয়ে এগিয়ে আছে, যা প্রধান বিরোধী জোটের চেয়ে পাঁচটি বেশি। আরব দলগুলো রেকর্ড ১৯টি আসন পেলেও সরকার গঠনের আলোচনা থেকে কার্যত বাইরে রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীর নির্বাচনে ভোটারদের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলেনি, কারণ এ দুটি প্রশ্নে প্রধান দুই জোটের অবস্থানে মৌলিক পার্থক্য নেই। প্রচারে গুরুত্ব পেয়েছে আদালতের ক্ষমতা, অতি-গোঁড়া ইহুদি সম্প্রদায়ের সামরিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার আগে সতর্কবার্তা উপেক্ষার অভিযোগ তদন্তের বিষয়টি।
নেতানিয়াহুর লিকুদ নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষে ভোট দিয়েছেন প্রায় ২৩ লাখ ৮০ হাজার মানুষ, আর বিরোধী জোটের পক্ষে প্রায় ২২ লাখ ১০ হাজার। বিশ্লেষকেরা বলেন, নেতানিয়াহুর সমর্থকদের কাছে নিরাপত্তাই ছিল প্রধান বিবেচ্য বিষয় এবং অনেকে বিকল্প জোটকে এ ক্ষেত্রে দুর্বল মনে করেছেন। সূত্রে গাজায় ৭৪ হাজার ৫০০-এর বেশি নিহতের কথা বলা হয়েছে; জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন পশ্চিম তীরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগও জানিয়েছে।
ইসরাইলের নির্বাচনী অচলাবস্থায় গাজা ও পশ্চিম তীরের প্রশ্ন প্রধান ইস্যু হয়নি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।