বেইজিং কয়েক দিনের ব্যবধানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে একই ধরনের জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে স্বাগত জানায়। তবে আনুষ্ঠানিকতার মিলের মধ্যেও ছিল সূক্ষ্ম পার্থক্য। ট্রাম্পকে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট, যিনি মূলত আনুষ্ঠানিক পদে আছেন, আর পুতিনকে অভ্যর্থনা জানান কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য। এতে বোঝা যায়, চীন মস্কোকে উদীয়মান অ-পশ্চিমা বিশ্বব্যবস্থার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে দেখে।
ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ দুই সফরকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে না দেখার আহ্বান জানালেও রুশ গণমাধ্যমে পুতিনকে “বিশ্বস্ত মিত্র” ও ট্রাম্পকে “অনিশ্চিত অংশীদার” হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ট্রাম্পের সফরে বাণিজ্য ও প্রযুক্তি ইস্যুতে অগ্রগতি না হলেও, পুতিনের সফর কৌশলগতভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইউক্রেন যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার চাপে রাশিয়া চীনের ওপর আরও নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, একই মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে আতিথ্য দিয়ে শি জিনপিং নিজেকে বৈশ্বিক ভারসাম্যের রক্ষক হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি।
একই জাঁকজমকে ট্রাম্প ও পুতিনকে স্বাগত জানিয়ে ভিন্ন বার্তা দিল বেইজিং
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।