কলকাতার বিভিন্ন মসজিদে জুমার আজান মাইকে দেওয়া বন্ধ এবং বিপুলসংখ্যক মসজিদের মাইক খুলে নেওয়ার অভিযোগে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। ১৪ আগস্ট গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে দলের ভারপ্রাপ্ত আমির আল্লামা আব্দুল কাইয়ুয সুবহানী ও মহাসচিব মাওলানা মূসা বিন ইযহার এ অবস্থান জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, মসজিদ থেকে মাইক অপসারণ এবং আজানের স্বাভাবিক প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের আইন থাকলে তা সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে প্রশাসনিক চাপ, ভয়ভীতি বা বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা ধর্মীয় স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের ওপর আঘাত।
নেতারা আজানকে মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেন। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে আজানের অধিকার সংকুচিত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও তারা মন্তব্য করেন। একই আইনের নামে এক ধর্মের উপাসনালয়ে কঠোরতা এবং অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে শিথিলতাকে তারা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগজনক দ্বৈতনীতি বলে বর্ণনা করেন। তাদের মতে, ন্যায়বিচার ও সমঅধিকার নিশ্চিত করাই টেকসই সম্প্রীতির পথ।
কলকাতার মসজিদে মাইক ও জুমার আজান বন্ধের অভিযোগে নেজামে ইসলামের উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।