প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান ৭ আগস্ট মক্কায় মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই ত্রিপক্ষীয় কাঠামোয় এক সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনার বিধান রয়েছে। প্রতিবেদনে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানকে নিয়ে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক বা প্রতিরক্ষা কাঠামোয় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং এতে ভারতের জন্য সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের দাবি, ঘোষিত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আওতায় ঢাকা কৌশলগত ও নিরাপত্তা অংশীদারত্ব বহুমুখী করতে চাইছে এবং ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করেছে। পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির চলতি মাসে বলেন, জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে এমন কাঠামোয় অংশগ্রহণে ঢাকার ইতিবাচক অবস্থান রয়েছে। তবে বাংলাদেশ কোনো সামরিক জোটে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ চলতি মাসে সৌদি আরবে প্রতিষ্ঠিত ১৪ দেশের বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়েছে। তুর্কি গণমাধ্যমও মক্কা নিরাপত্তা কাঠামোয় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্তির ধারণা নিয়ে আলোচনা করেছে। বিশ্লেষণে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অবস্থান এবং সম্ভাব্য তুর্কি নৌ বা পাকিস্তানি সামরিক সুবিধাকে ভারতের নিরাপত্তা পরিকল্পনার জন্য জটিলতার কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
মক্কা নিরাপত্তা কাঠামোয় বাংলাদেশের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ বিশ্লেষণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।