ময়মনসিংহে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, ১৩ মার্চ পর্যন্ত জেলায় ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত বছর জেলায় ৩,২১৯ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন, যার মধ্যে নান্দাইল উপজেলায় সর্বাধিক সংক্রমণ দেখা যায় এবং মৃত্যুবরণকারীদের বেশিরভাগের বয়স ছিল ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। স্থানীয় প্রশাসন ইতোমধ্যে একাধিক বৈঠক করেছে এবং আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা জানান, বাসাবাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি, নির্মাণাধীন ভবনের গর্ত ও পরিত্যক্ত পাত্র এডিস মশার প্রজননস্থল হিসেবে কাজ করছে। তারা বলেন, ফগিং কার্যক্রমে সময়সূচি ও কীটনাশক ব্যবহারে অনিয়মের কারণে কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে। ব্যবহৃত কীটনাশকের মান ও সরবরাহে সিন্ডিকেটের অভিযোগও উঠেছে, যা মশা নিধনে বাধা সৃষ্টি করছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে ফগিং, লার্ভিসাইড ছিটানো ও জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, মার্চ থেকে মে মাসে কার্যকর মশা নিধন অভিযান না চালালে বর্ষায় ডেঙ্গু সংক্রমণ বড় আকার নিতে পারে।
বর্ষার আগেই ডেঙ্গু রোগী শনাক্তে ময়মনসিংহে বড় সংক্রমণের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।