নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান ও নিরীক্ষকদের তদারককারী বাংলাদেশের ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল বা এফআরসি জনবল নিয়োগে মামলা, চারটি বিধিমালার অনুমোদন না পাওয়া এবং চেয়ারম্যানের পদত্যাগের কারণে কার্যক্রম পরিচালনায় সংকটে পড়েছে। ২০১৬ সালের এপ্রিল থেকে কার্যক্রম শুরু করলেও প্রতিষ্ঠানটিতে এখনো স্থায়ী জনবল নিয়োগ হয়নি; ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করছেন। চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া সোমবার দুদক কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর পদত্যাগ করেছেন, ফলে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ধীরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এফআরসি প্রশাসনিক জরিমানা, আর্থিক বিবরণী দাখিল, হিসাবরক্ষণ ও আপিল কর্তৃপক্ষ এবং চার্টার্ড অব লিগ্যাল ফিস—এই চার বিধিমালা অর্থ বিভাগে পাঠিয়েছিল। যুগ্ম সচিব সৈয়দ রাশেদুল হোসেন বলেন, প্রশাসনিক জরিমানা বিধিমালার কাজ শেষ হয়েছে এবং আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অন্য তিনটি বিধিমালার সংশোধনও চলমান রয়েছে।
২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ৫৭টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর রিট হওয়ায় প্রক্রিয়াটি আটকে যায়। এফআরসি বাকি ৯৩ জন নিয়োগের অনুমোদন চেয়ে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। আপিল কর্তৃপক্ষ গঠিত না হওয়ায় সংক্ষুব্ধ পক্ষের জন্য ১১ আগস্ট থেকে এফআরসি কাউন্সিলে রিভিউ আবেদনের অস্থায়ী ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
মামলা, বিধিমালা অনুমোদন ও চেয়ারম্যান শূন্যতায় সংকটে এফআরসির কার্যক্রম
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।