ভারতে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৩ কোটি মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগে তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলন চলছে। দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে পশ্চিমবঙ্গ, কর্ণাটকসহ বিভিন্ন রাজ্যে এটি ছড়িয়ে পড়েছে এবং অক্টোবর মাসে গণআন্দোলনের রূপ নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আন্দোলনের প্রধান দাবি প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ।
প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, বাদ পড়াদের মধ্যে মুসলিম, স্থানান্তরিত মানুষ, দলিত, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি বেশি। পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লাখ নাম বাদ পড়ার মধ্যে ৬২ শতাংশ নারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে নারী ভোটার বাদ পড়ার হার ৬০ শতাংশ এবং আসামে ৭০ শতাংশ বলেও দাবি করা হয়েছে। আন্দোলনে জেনজি, ককরোচ জনতা পার্টি, ইন্ডিয়া ব্লক এবং নারী অধিকার সংগঠনগুলো যুক্ত রয়েছে।
নারী সংগঠনগুলোর অভিযোগ, বিবাহিত নারীদের বাবা-মায়ের নাম, বাপের বাড়ির ঠিকানা ও পুরোনো নথি যাচাইয়ের শর্ত বৈষম্যমূলক। তারা ভোটার তালিকা সংস্কার, অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বাদ পড়ার কারণ চিহ্নিত, বাদ পড়া ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি এবং বিকল্প নথিভুক্তি পদ্ধতির দাবি জানিয়েছে। প্রতিবেদনে ট্রান্সজেন্ডার ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের জন্য পরিচয়পত্রের ব্যবস্থার দাবিও তুলে ধরা হয়েছে।
এসআইআর প্রক্রিয়ায় নারী ও প্রান্তিক ভোটার বাদ দেওয়ার অভিযোগে ভারতে আন্দোলন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।