যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ মধ্যবর্তী নির্বাচনে জাতীয়, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ে অন্তত ৯৭ জন মুসলিম-আমেরিকান প্রার্থী জয়ী হয়েছেন বলে জানিয়েছে কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস বা কেয়ার। প্রাথমিক বাছাই পেরিয়ে ১৬৮ জন মূল নির্বাচনে অংশ নেন, যার মধ্যে সাতজন ওয়াশিংটন ডিসিতে যাচ্ছেন। প্রতিনিধি পরিষদে ইলহান ওমর, রাশিদা তালিব, আন্দ্রে কারসন ও লতিফা সাইমনের পাশাপাশি নতুন নির্বাচিত হয়েছেন আদম হামাউই, আয়েশা ওয়াহাব ও দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ের। আবদুল আল-সাইয়েদ ছয় বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম মুসলিম সিনেটর হয়েছেন।
কেয়ারের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে মুসলিম প্রার্থীদের সর্বোচ্চ নির্বাচনী সাফল্য। দেশটিতে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৫৫ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশ। আগের বছরের তুলনায় মুসলিম ভোটার নিবন্ধন অন্তত ২৫ শতাংশ বেড়েছে এবং একটি জরিপে ভোটদানের হার ৯৩ শতাংশ বলা হয়েছে। কেয়ারের তথ্য অনুযায়ী, ৮০ শতাংশ মুসলিম ভোটার ডেমোক্র্যাটদের এবং ৬ শতাংশ রিপাবলিকানদের ভোট দিয়েছেন। তবে আইএসপিইউর গবেষণায় ২০২৪ সালে ২০ শতাংশের বেশি মুসলিমের ট্রাম্পকে ভোট দেওয়ার কথা উঠে আসে।
প্রতিবেদনটি মুসলিমদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধির সঙ্গে ইসলামবিদ্বেষ, নীতিনির্ভর ভোট এবং গাজার মানবাধিকার পরিস্থিতির গুরুত্বের সম্পর্ক তুলে ধরেছে। কেয়ারের জরিপে ৭০ শতাংশ ভোটার বলেছেন, ইসলামবিদ্বেষ তাদের ভোট দিতে উৎসাহিত করেছে; ৭৬ শতাংশ ফিলিস্তিন ও গাজাকে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু বলেছেন। নির্বাচিতদের মধ্যে রাজনৈতিক বৈচিত্র্যও ছিল; ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়া অ্যারিজোনার রিপাবলিকান প্রতিনিধি আবে হামাদেহ পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।
কেয়ারের তথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জিতেছেন অন্তত ৯৭ মুসলিম-আমেরিকান প্রার্থী
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।