ইরানের প্রতিক্রিয়া ভুলভাবে অনুমান করায় যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন এখন তীব্র সংকটে পড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা মনে করেছিলেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ হলেও মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবরাহ বা জ্বালানি বাজারে কোনো প্রভাব পড়বে না। কিন্তু ইরান হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক তেল ট্যাঙ্কারে হামলার হুমকি দেওয়ার পর উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল পরিবহন বন্ধ হয়ে গেছে এবং তেলের দাম বেড়ে গেছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দূতাবাস থেকে লোক সরিয়ে নেওয়া এবং জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা প্রণয়ন। কংগ্রেসে এক গোপন ব্রিফিংয়ে সিনেটর ক্রিস্টোফার এস মার্ফি জানান, প্রশাসনের কাছে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার বা যুদ্ধ শেষ করার কোনো স্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। কিছু কর্মকর্তা কৌশলগত দিকনির্দেশনার অভাবে হতাশ হলেও প্রেসিডেন্টের দাবির কারণে প্রকাশ্যে কিছু বলছেন না।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, যুদ্ধের আগে প্রশাসনের একটি দৃঢ় পরিকল্পনা ছিল এবং যুদ্ধ শেষে তেলের দাম কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইরানের পাল্টা আঘাত ভুলে হরমুজ প্রণালিতে তেল সংকটে ট্রাম্প প্রশাসন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।