রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে এবং সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা বড় বড় বালুর স্তূপ দুর্ঘটনা ও পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। ড্রেজার ও ডাম্প ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে প্রতিদিন বালু এনে সড়কের পাশে রাখা হচ্ছে, বিক্রির পর তা আবার ট্রাকে তোলা হচ্ছে। গোদাগাড়ী উপজেলার সোনাদিঘী, গোপালপুর, বিজয়নগর, সারেংপুর জৈতগশাই, সুলতানগঞ্জ গাংগোবাড়ী ও মহিশালবাড়ীসহ প্রায় ১৫টি স্থানে এভাবে বালু রাখা হয়েছে।
স্থানীয় চালক ও যাত্রীরা জানান, বাতাস উঠলে উড়ন্ত বালু চোখে-মুখে পড়ায় গাড়ি নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হচ্ছে। মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ছোট যানবাহনের চালকেরা বেশি ঝুঁকিতে আছেন। অটোরিকশাচালক দুলাল ও মোটরসাইকেলচালক ওবাইদুল্লাহ দ্রুত বালু অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি সালাউদ্দীন বিশ্বাস প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ করেছেন।
বালু ব্যবসায়ী আব্দুল করিম বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বৈধভাবে ইজারা নেওয়া হয়েছে এবং বালুর কারণে কিছু সমস্যা হয়। সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, মহাসড়কের ৩৩ ফুটের মধ্যে ব্যবসা বা স্থাপনার অনুমতি নেই। পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন জানান, বালু ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক; নোটিশ দিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের পাশে বালুর স্তূপে দুর্ঘটনা ও দূষণের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।