২০২৬ সালের জুন শেষে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের খেলাপি ঋণ প্রায় ৯৮ হাজার ৯১৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা মোট ঋণের ৫২ দশমিক ১৪ শতাংশ। আস্থার সংকট ও আমানত উত্তোলনের চাপের মধ্যে ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। জুন শেষে প্রভিশন ঘাটতি ৮২ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকার বেশি এবং মার্চ শেষে প্রকৃত মূলধন ঘাটতি প্রায় ৯০ হাজার ১৮৮ কোটি টাকা ছিল। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটির নিট লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খেলাপি ঋণের বড় অংশ এস আলম গ্রুপের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের। ব্যাংক সূত্র বলেছে, শীর্ষ ২০ খেলাপি ঋণগ্রহীতার মধ্যে ১৫টি প্রতিষ্ঠান গ্রুপটি ও এর কর্ণধার সাইফুল আলমের পরিবারের সঙ্গে যুক্ত। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৫৭ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা, যা মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৬২ শতাংশ। শীর্ষ তালিকার আরও পাঁচ প্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার ৬৯৭ কোটি টাকার ঋণে এস আলম ও নাবিল গ্রুপের পরোক্ষ সুবিধাভোগিতার তথ্য রয়েছে।
অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জামাল উদ্দিন মজুমদার বলেন, নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থতা এবং পুনঃতফসিল করা ঋণ ফের খেলাপি হওয়ায় এ ঋণ বাড়ছে। জুনে অস্থিরতা ও আমানত উত্তোলন বৃদ্ধির পর বাংলাদেশ ব্যাংক ১২ জুন সহায়তার আশ্বাস দেয়। ১৪ জুন পুরো পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করে নির্বাহী পরিচালক জহির হোসেনকে সব ক্ষমতা দেওয়া হয়।
জুনে ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৮ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।