ভারত বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পাটপণ্যের ওপর টনপ্রতি সর্বোচ্চ ৪৪৫ ডলার পর্যন্ত নতুন অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে। ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২৪ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপনে পাটের সুতা ও টুইন, পাটের বস্তা এবং হেসিয়ান কাপড় এ শুল্কের আওতায় আনা হয়েছে। তালিকাভুক্ত ৩৬টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য শুল্কহার টনপ্রতি ৫৯ ডলার থেকে শুরু হয়েছে। তালিকার বাইরে থাকা কোনো উৎপাদক বা রপ্তানিকারক পাটের সুতা বা টুইন ভারতে পাঠালে সর্বোচ্চ ৪৪৫ ডলার শুল্ক দিতে হবে।
ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ট্রেড রেমেডিজের মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনার পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ভারতীয় জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন ও এপি মেস্তা টুইন মিলস অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের পর ২০২৫ সালের জুনে পর্যালোচনা শুরু হয়। সংস্থাটি বাংলাদেশে ৫৪টি এবং নেপালে ৩৬টি পাটকলের কাছে তথ্য চেয়েছিল; বাংলাদেশে ৩৮টি ও নেপালে পাঁচটি পাটকল জবাব দেয়।
১৭টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানকে পাটের বস্তার জন্য টনপ্রতি ১২০ ডলার শুল্ক দিতে হবে। ছয়টি প্রতিষ্ঠান তাদের রপ্তানিকৃত পণ্যশ্রেণিতে শুল্কমুক্তি পেয়েছে এবং নাটোর জুট মিলস ও জনতা জুট মিলস বস্তা ও হেসিয়ান কাপড়ে শূন্য শুল্কহার পেয়েছে। বিজেএসএ চেয়ারম্যান তাপস প্রামাণিক পদক্ষেপটিকে একপাক্ষিক ও জবরদস্তিমূলক বলেছেন।
বাংলাদেশি পাটপণ্যে ভারতের অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক টনপ্রতি সর্বোচ্চ ৪৪৫ ডলার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।