মন্তব্যধর্মী এই লেখায় বলা হয়েছে, পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দর্শন হওয়া উচিত সুশাসন। লেখাটি জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা, জবাবদিহি ও সমৃদ্ধিভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ার সুযোগ হিসেবে তুলে ধরে। এই সুযোগকে স্থায়ী পরিবর্তনে রূপ দিতে নির্বাচিত সরকার, রাজনৈতিক দল, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের ভূমিকার কথাও বলা হয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তরের ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে লেখাটি বলেছে, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত সহিংসতায় প্রায় ১,৪০০ জন নিহত এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হন। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, রাজনৈতিক নিপীড়ন, দুর্নীতি ও জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি বিচার দাবি করা হয়েছে; একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা সমষ্টিগত শাস্তি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
লেখাটি যোগ্যতাভিত্তিক নিয়োগ, বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ ও বিচারব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, গঠনমূলক সমালোচনা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি দুর্নীতি ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্ব মোকাবিলা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে সুশাসন, জবাবদিহি ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।