আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বাদাখশান প্রদেশে তালেবানবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা বেড়েছে, যা দেশটির কার্যত শাসক তালেবান সরকারের জন্য নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে আফগানিস্তান আবার দীর্ঘস্থায়ী সশস্ত্র সংঘাত ও রাজনৈতিক বিভাজনের দিকে যেতে পারে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট ও আফগানিস্তান ফ্রিডম ফ্রন্ট তালেবানের বিভিন্ন অবস্থানে হামলা চালিয়েছে।
স্থানীয় কয়েকটি ছোট প্রতিরোধগোষ্ঠীও সক্রিয় হয়েছে এবং সাবেক তালেবান কমান্ডার জুমা খান ফাতেহের বিদ্রোহ কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতিকে জটিল করেছিল। জেবাক শহরের আশপাশে এবং কুরান ওয়া মুনজান জেলায় তালেবানবিরোধী হামলা বেড়েছে। ওয়াখান করিডরের প্রবেশপথের কাছে হওয়ায় জেবাক কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এনআরএফ বাদাখশানের রাজধানী ফয়জাবাদের তালেবান মেয়রকে হত্যার দায়ও স্বীকার করেছে।
দুর্গম পাহাড়, সীমিত যোগাযোগব্যবস্থা, ল্যাপিস লাজুলি ও স্বর্ণের খনি এবং তাজিকিস্তান, পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সীমান্ত বাদাখশানের গুরুত্ব বাড়িয়েছে। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে আফগানিস্তান থেকে সৃষ্ট সন্ত্রাসী হুমকি উল্লেখযোগ্যভাবে না কমার কথা বলা হয়েছে। তালেবানবিরোধী রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সমঝোতা চাইলেও তালেবান এতে খুব বেশি আগ্রহ দেখায়নি।
বাদাখশানে তালেবানবিরোধী হামলা বাড়ায় আফগানিস্তানের নিরাপত্তা উদ্বেগ তীব্র
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।