উত্তর কোরিয়া শনিবার স্বল্পপাল্লার কৌশলগত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার বোমার ওয়ারহেড সংযুক্ত করে পরীক্ষা চালানোর কথা জানিয়েছে। দেশটির দাবি, পরীক্ষায় ১২ থেকে ১৩ হেক্টর এলাকাজুড়ে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের সক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। সরকারি সংবাদমাধ্যম পরীক্ষাটিকে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র পরীক্ষা হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রকাশিত ছবিতে হোয়াসং-১১ডি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ এবং একটি দ্বীপে ওয়ারহেডের আঘাতের দৃশ্য দেখা গেছে।
কেসিএনএ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলেছে, পরীক্ষায় স্ট্যান্ডার্ড টাইপ-২ ক্লাস্টার বোমার ওয়ারহেডের কার্যকারিতা যাচাই হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র প্রশাসন জানিয়েছে, এ ধরনের ওয়ারহেড চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত, তবে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। প্রশাসনের মহাপরিচালক বলেছেন, চলতি বছরের মধ্যেই সামরিক ইউনিটগুলোকে অভিযান ও লক্ষ্যবস্তুর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সব ধরনের ওয়ারহেড বেছে ব্যবহারের সক্ষমতা দেওয়া হবে। পরীক্ষা পরিচালনা করেন জেনারেল কিম জং-সিক; কিম জং উন উপস্থিত ছিলেন না।
সাম্প্রতিক সপ্তাহে ধারাবাহিক অস্ত্র পরীক্ষার মধ্যে এই পরীক্ষা হলো এবং দুই কোরিয়ার উত্তেজনাও বেড়েছে। আইসিআরসির মতে, ক্লাস্টার বোমার বিস্ফোরণ ও অবিস্ফোরিত সাবমিউনিশন বেসামরিকদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করে। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান উত্তর কোরিয়ার সম্পূর্ণ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
উত্তর কোরিয়ার দাবি, ক্লাস্টার ওয়ারহেড পরীক্ষায় ১২ থেকে ১৩ হেক্টর ধ্বংসক্ষমতা যাচাই হয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।