নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া এবং দুর্গম এলাকায় আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। বহু সড়ক ও সেতু ধ্বংস হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থলপথে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে আটকে পড়াদের উদ্ধারে হেলিকপ্টারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা জনক বাহাদুর রয়টার্সকে বলেন, বন্যার পানি হঠাৎ বোমার মতো বিস্ফোরিত হয়ে এসেছিল।
বাহাদুর জানান, দূর থেকে নদীটি ছোট মনে হলেও হঠাৎ পানি বাড়তে শুরু করে এবং প্রবল স্রোত পুরো এলাকা ভাসিয়ে নেয়। আরেক বন্যাদুর্গত বলেন, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াই সবচেয়ে বড় সমস্যা। ধ্বংসস্তূপের কারণে অনেক এলাকায় এখনো পৌঁছানো যাচ্ছে না। তাই কতজন মানুষ আটকে আছেন বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
প্রবল স্রোতে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গম ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতায় কর্মীরা নানা বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। উদ্ধারকর্মীদের মতে, যোগাযোগব্যবস্থা দ্রুত সচল করা এবং দুর্গত এলাকায় খাবার, পানি ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এখন জরুরি। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ থাকলে তাদের জীবিত উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ চলছে।
সড়ক-সেতু ধ্বংসে দুর্গতদের উদ্ধারে নেপালে হেলিকপ্টারের ওপর নির্ভরতা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।