আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ইয়োসি মেকেলবার্গ বলেছেন, তুরস্কের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়িয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে ফেলতে পারেন। তাঁর বিশ্লেষণে, আগামী অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের পেছনে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাব কাজ করতে পারে।
মেকেলবার্গের মতে, তুরস্ক সীমান্তের কাছে সিরিয়ার আবু দুহুর বিমানঘাঁটিতে ইসরাইলি হামলা পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রায় নিয়েছে। ইসরাইল দাবি করে, সেখানে তুরস্ক সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছিল। তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করে ইসরাইলকে তুরস্ককে সংঘাতে জড়ানোর চেষ্টার অভিযোগ করেছে। তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ও সিরিয়া-বিষয়ক দূত টম ব্যারাকও ইসরাইলের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, আহমাদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন সিরীয় সরকার ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাত চায় না; তারা পুনর্গঠন, অর্থনীতি সচল করা ও বিদেশি বিনিয়োগে মনোযোগী। সিরিয়ায় তুরস্কের সম্ভাব্য উপস্থিতিকে ইসরাইলের সরাসরি হুমকি বলার যথেষ্ট প্রমাণ নেই বলেও তিনি মত দেন। তাঁর মতে, ন্যাটো সদস্য তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি উত্তেজনা ইসরাইলের আন্তর্জাতিক অবস্থান দুর্বল করতে এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
তুরস্কের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়িয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ঝুঁকিতে নেতানিয়াহু, বললেন বিশ্লেষক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।