ভারত সরকার জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারত-শাসিত কাশ্মীরে দুই মাসের জন্য ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ২৯ ডিসেম্বর জারি করা আদেশে বলা হয়, ভিপিএন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং এটি অস্থিরতা উস্কে দিতে অপব্যবহার করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার পর পুলিশ পথচারী ও যানবাহন থামিয়ে মোবাইল ফোন পরীক্ষা করছে এবং ১০০ জনের বেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তে কাশ্মীরের আইটি পেশাজীবী ও সাধারণ বাসিন্দারা উদ্বেগে পড়েছেন। পুনে শহরে কর্মরত কাশ্মীরি আইটি বিশেষজ্ঞ বাসিত বান্দে আল জাজিরাকে বলেন, সরকার পেশাজীবীদের প্রয়োজন বিবেচনা না করেই আদেশ জারি করেছে, অথচ অনেকের কাজ সরাসরি ভিপিএন সংযোগের ওপর নির্ভরশীল। তিনি আশঙ্কা করছেন, চাকরি হারাতে পারেন বা পুনেতে স্থায়ীভাবে চলে যেতে হতে পারে, কারণ ভিপিএন ছাড়া কর্পোরেট ইমেইলসহ গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেমে প্রবেশ সম্ভব নয়।
আমস্টারডামভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা সার্ফশার্কের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ৮০০ মিলিয়ন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর প্রায় ২০ শতাংশ ভিপিএন ব্যবহার করে। এই নিষেধাজ্ঞা দেশের ডিজিটাল অধিকার ও অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে কাশ্মীরে দুই মাসের জন্য ভিপিএন নিষিদ্ধ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।